গ্রুপ আলোচনাঃ আত্মগঠন, কর্মী গঠন ও নেতৃত্ব দান

আত্মগঠন
➧ আত্মগঠন কি-
🔽 আত্ম মানে নিজ-ইংরেজীতে যাকে বলে Self, Soul, Spirit.

🔽 গঠন মানে তৈরী করা-ইংরেজীতে যাকে বলে Make, Form, Figure, Shape, Framing, Molding, Building-up.
🔽 আত্মগঠন মানে নিজেকে গঠন। নিজেকে গঠন মানে নিজেকে যে উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করা হয়েছে, সে উদ্দেশ্য সাধন করার জন্য যে যোগ্যতা দরকার, তা তৈরী করা।
🔽 এক কথায়-আল্লাহর খলিফা হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে যে ধরনের যোগ্য লোক প্রয়োজন। সে ধরনের যোগ্য হিসাবে নিজেকে গড়ে তোলাই আত্মগঠন।
 আত্মগঠন কেন-
১. নিজের পরিচয় জানার জন্য।
২. নিজ দায়িত্ব সম্পর্কে অবগতির জন্য।
৩. আল্লাহর খলিফার দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালনের জন্য।
৪. দায়ী ইলাল্লাহর দায়িত্ব পালনের জন্য।
৫. মানবতার জন্য নিজেকে সত্যের সাক্ষ্য হিসাবে উপস্থাপনের জন্য।
➧ আত্মগঠন কিভাবে-
১. জ্ঞানার্জন।
ক. দৈনন্দিন জীবনের করণীয় বিষয়ে ইসলামের দৃষ্টিভংগী জানা।
খ. ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন সম্পর্কে জানা।
গ. বর্তমান দুনিয়া ও অতীত দুনিয়া সম্পর্কে জানা।
ঘ. দেশের সামগ্রীক পরিস্তিতি ও রাজনৈতিক পলিসি সম্পর্কে অবগত হওয়া।
ঙ. নিজের সমমানের লোকদের দ্বীন বুঝাতে কমপক্ষে যতটুকু জ্ঞান দরকার, নুন্যতম সেটুকু অর্জন করা।
২. আল্লাহর সাথে সম্পর্ক।
ক. পরিপূর্ণ নিয়মানুবর্তিতার সাথে ইসলামের মৌলিক ইবাদত সমূহ পালন করা।
খ. নফল ইবাদত সমূহ নিয়মিত ভাবে পালন। বিশেষ করে নফল রোজা ও নফল সাদাকা।
গ. রাত জেগে ইবাদত। বিশেষ করে নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করার চেষ্টা করা।
ঘ. সার্বক্ষনিক আল্লাহর স্মরণের জন্য মাসনুন দোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।
ঙ. মহব্বতের সাথে আল্লাহর রাসূল সা. এর প্রতি নিয়মিত দরুদ পাঠ করা।
৩. দাওয়াত ইলাল্লাহ।
ক. নিজ আহালকে জাহান্নাম থেকে বাঁচানোর জন্য পেরেশানী থাকা।
খ. দাওয়াতী কাজ করার মাধ্যমে আল্লাহর নির্দেশ পালন করে নিজে জাহান্নাম থেকে বাঁচা।
গ. দায়ী ইলাল্লাহর কাজ করতে নিজেকে শাহাদাত আলান নাস হিসাবে উপস্থাপন করে প্রকৃত মুমিন হিসাবে তৈরী হওয়া।
ঘ. একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার মানুষের টার্গেট মনের মধ্যে গেঁথে ফেলা। এবং নিজের যাবতীয় কার্যক্রম তাদেরকে কেন্দ্র করে পরিচালনা।
৪. আত্মসমালোচনা।
ক. একটি সময়কে আত্ম সমালোচনার জন্য নির্ধারিত করে নেয়া।
খ. আল্লাহ তায়ালাকে এমন ভাবে হাজির নাজির মনে করা, যাতে নিজের মনের উপর এমন প্রভাব পড়ে যে, আপনি তা উপলব্দি করতে পারেন।
গ. নিজের জন্য গত ২৪ ঘন্টা সময়ের নির্ধারিত প্লান কি ছিল তা মনের আয়নায় নিয়ে আসা।
ঘ. গত ২৪ ঘন্টার কৃতকর্মের একটি ছবি মনের পর্দায় উপস্থাপন করা। এবং কাজ গুলি যাচাই বাঁচাই করা।
ঙ. স্বীয় আত্মগঠনের জন্য যা পড়া ও যা করা দরকার ছিল তা করেছি কি না, তা খতিয়ে দেখা।
চ. স্বীয় সাংগঠনিক পরিকল্পনা ও দায়িত্ব বাস্তবায়নে যা করার কথা ছিল, তার কতটুকু করতে পারলাম, তা খতিয়ে দেখা।
ছ. পারস্পরিক মুয়ামেলাতে আপত্তিকর কিছু করলাম কি না তা খতিয়ে দেখা।
জ. পুরো তৎপরতার একটি যোগফল দাঁড় করানো যে, সফলতার পাল্লা ভারী, না বিফলতার পাল্লাভারী।
ঞ. সফলতার পাল্লা ভারী হলে মাবুদের শুকরিয়া আদায় ও আগামীতে আরো করতে পারার জন্য তাওফীক কামনা। আর বিফলতার জন্য আল্লাহর নিকট তাওবা করা এবং তাৎক্ষনিক ভাবে সফলতার লক্ষ্যে কাজ শুরু করে দেয়া।
চ. আল্লাহর নিকট বিনীত ভাবে দোয়া করা।
৫. হিজরাত।
ক. দুনিয়ার জীবনের অনেক প্রয়োজনীয় জিনিস কেবল দ্বীনদারীর জন্য  ত্যাগ করা বা ত্যাগের মন মানসিকতা তৈরী করা।
খ. গোনাহ ও সীমালংঘন মুলক কাজ থেকে বিরত থাকা।
গ. সংগঠনের কাজে ক্ষতির সৃষ্টি করে এমন কর্ম, যদিও তাহা করা জায়েজ আছে, তবুও তাহা থেকে বিরত থাকা।
ঘ. পারস্পরিক সম্পর্ক নষ্ট করে এমন আচরণ থেকে বিরত থাকা।
৬. মৌলিক মানবীয় গুণ অর্জন।
দুনিয়াবাসীর নেতৃত্ব দেবার জন্য প্রয়োজনীয় গুনাবলী অর্জন করা। যেমন-
ক. পরিশ্রম প্রিয়তা। 
খ. কষ্ট  ‍সহিষ্ছ। 
গ. সংযম। 
ঘ. বিপদে দৃঢ়তা। 
ঙ. সময়ানুবর্তীতা। 
চ. শৃংখলা।
এবিষয়ে ইসলামী আন্দোলন সাফল্যের শর্তাবলী ও ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের পারস্পরিক সম্পর্ক বই বারবার পড়ার চেষ্টা করা।
কর্মী গঠন
➧ কর্মী গঠন কি-
সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌছার জন্য যারা কাজ করবেন, মান সম্পন্ন সে ধরনের একদল জনগোষ্ঠী গঠনের কাজই কর্মী গঠন।
➧ কর্মী গঠন কেন-
১. মুমিনের সর্বনিম্ন স্থরে পৌছানোর জন্য।
২. আল্লাহর জান-মাল আল্লাহর কাজে ব্যয় করতে উৎসাহিত করার জন্য।
৩. দাওয়াত স¤প্রসারণ ও সাংগঠনিক মজবুতি অর্জনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় লোকবল তৈরীর জন্য।
➧ কর্মী গঠন কিভাবে-
কর্মী গঠন কিভাবে করবো, তা আলোচনার প্রাক্ষালে আমরা কর্মীকে দুই ভাগে ভাগ করবো।  
১। সাধারণ কর্মী। 
২। শপথের কর্মী।
# সাধারণ কর্মী কিভাবে গঠন করবো?
১. নিয়মিত সাক্ষাতের মাধ্যমে আন্তরিক সাহচার্য দান ।
২. ইসলামী অনুশাসন মেনে চলতে উদ্ভোদ্ধ করণ।
৩. ইসলাম বিরোধী আমল সমূহের প্রতি ঘৃণা তৈরী।
৪. সংগঠনের প্রাথমিক বই সমূহ পর্যায়ক্রমে পড়ানো।
৫. সাংগঠনিক পরিবেশে নিয়ে আসার চেষ্টা করা।
৬. বৈঠক সমূহে হাজির হবার জন্য উৎসাহিত করণ।
৭. ছোট ছোট দায়িত্ব প্রদান এবং পালনের কারণে মুবারকবাদ প্রদান।
৮. দাওয়াতী কাজ করার গুরুত্ব বুঝানো ও সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির নিকট দাওয়াত প্রদানের জন্য উৎসাহিত করণ।
৯. জীবনের সামগ্রীক কাজের হিসাব নিকাশ রাখতে ব্যক্তিগত রিপোর্ট সংরক্ষণের গুরুত্ব বুঝানো ও রিপোর্ট রাখতে উৎসাহিত করণ।
১০. আনুগত্য সম্পর্কে সঠিক ধারণা প্রদান।
১১. আল্লাহর পথে অর্থ দানের গুরুত্ব বুঝানো এবং অর্থ দানে উদ্বুদ্ধ করণ।
# শপথের কর্মী কিভাবে গঠন করবো?
একজন সাধারণ কর্মীকে শপথের কর্মী হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নিম্নোক্ত বিষয়াবলীর প্রতি নজর দিতে হবেÑ
১. সংগঠনে সাধারণ কর্মীর অবস্থান কোথায়, তা তার অনুভূতিতে গেঁথে দিতে হবে।
২. বাইয়াত বিহীন মৃত্যু-জাহেলিয়াতের মৃত্য। এবং বাইয়াত গ্রহণ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের কর্মী হওয়া যায় না, তা বুঝাতে হবে।
৩. জান ও মাল আল্লাহর কাছে বিক্রি করেই মুমিন হতে হয়, বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বুঝাতে হবে।
৪. আল্লাহর পথে জান কুরবানীর বিকল্প হচ্ছে সময়ের কুরবানী এবং মাল কুরবানী মানে সংগঠনের চাহিদা মত উপার্জনের একটি অংশ কুরবানী, সে ধারনা পরিষ্কার করে দিতে হবে।
৫. ইসলামী আন্দোলনের ত্যাগ ও কুরবানীর ইতিহাস তাকে পড়াতে ও শুনাতে হবে।
৬. কুরআন ও হাদীসে ত্যাগ ও কুরবানী বিষয়ে যে বক্তব্য এসেছে, তা সরাসরি উপস্থাপন করতে হবে।
৭. সংগঠনের অতীত ও বর্তমান নেতা কর্মীদের ত্যাগের ইতিহাস উপস্থাপন করতে হবে।
৮. সংগঠন পরিচালনার নিয়ম শৃংখলা ও পদ্ধতি উদাহরণ সহ বুঝিয়ে দিতে হবে।
৯. নিয়মিত ভাবে তার ব্যক্তিগত রিপোর্ট ও পরিকল্পনা দেখা ও তার আলোকে যথাযথ পরামর্শ প্রদান করতে হবে।
১০. আবাসিক অবস্থানের খোঁজ নিতে হবে। যদি তা সংগঠনের মেজাজ ও মান সৃষ্টির জন্য অন্তরায় হয়, তাহলে বাসা পরিবর্তনের ব্যবস্থা করতে হবে।
১১. ব্যক্তিগত লেনদেন ও আমানতদারীর প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। হক্কল্লাহ ও হক্কুল ইবাদ-এর ব্যাপারে শরীয়াতের দৃষ্টিভংগী উপস্থাপন করতে হবে।
১২. ব্যক্তিগত জীবনে ফরজ ও ওয়াজিব সমূহ যথাযথ ভাবে পালন এবং হালাল ও হারাম বেঁচে চলার ব্যাপারে সরাসরি তত্ত্বাবধান করতে হবে।
১৩. সংগঠনের প্রকৃত মেজাজ কি? তা উপলব্দি করানোর জন্য নিজের আচরণকে সংগঠনের মেজাজ মোতাবেক গড়ে তুলতে হবে।
১৪. আনুগত্য ব্যাপরে ইসলামী শরীয়াতের দৃষ্টিভংগী ও সে অনুযায়ী আমাদের সংগঠনের প্রেকটিক্যাল আনুগত্য ব্যাপারে খোলামেলা আলোচনা করে সংগঠনের আনুগত্য বিষয়ক দৃষ্টিভংগী পরিষ্কার করে দিতে হবে।
নেতৃত্বদান
➧ নেতৃত্ব দান কি-
🔽 নেতৃত্ব মানে নায়কতা। ইংরেজীতে যাকে বলে-Leadership, management, mastership 
🔽 নেতৃত্ব মানে-সৃনিদির্ষ্ট লক্ষ্যে পৌছার জন্য একদল মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা যাদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
🔽 পরিচালনার যোগ্যতা রাখে এধরনের একদল মানুষের সমষ্টিকে নেতৃত্ব বলে।
🔽 নেতৃত্বের সাথে আনুগত্য শব্দটি অতপ্রোত ভাবে জড়িত। নেতৃত্বের আনুগত্য করা ফরজে আইন।
🔽 নেতৃত্বের আনুগত্য না করার পরিণাম হল-জাহেলিয়াতের মৃত্যু এবং আনুগত্য না করা মানে সংগঠনে না থাকা।
➧ নেতৃত্ব দান কেন-
১. নেতৃত্ব সংগঠনের একটি অন্যতম উপাদান।
২. নেতৃত্বকে কেন্দ্র করে সংগঠনের সামগ্রীক কর্ম পরিচালিত হয়।
৩. সংগঠনের শৃংখলার জন্য নেতৃত্ব অপরিহার্য।
৪. যাবতীয় তথ্যের কেন্দ্রীভূত ও বিকেন্দ্রীভূত করণের জন্য প্রয়োজন নেতৃত্ব।
৫. সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফোরাম তৈরীর জন্য প্রয়োজন নেতৃত্ব।
৬. আনুগত্যের কেন্দ্র তৈরীর জন্য প্রয়োজন নেতৃত্ব।
৭. ইসলামী শরীয়ার অনুসরণের জন্য প্রয়োজন নেতৃত্ব।
➧ নেতৃত্ব দান কিভাবে-
# যারা নেতৃত্ব দেবেন তাদের মাঝে ব্যক্তিগত ভাবে যে সব গুণ থাকতে হবে-
১. জ্ঞানের ক্ষেত্রে শ্রেষ্টত্ব।       
২. সাহসিকতা।
৩. সাংগঠনিক প্রজ্ঞা।   
৪. দূরদৃষ্টি।
৫. আল্লাহ্ ভীতি।   
৬. অনড় মনোবল।
৭. শৃংখলা বিধানের যোগ্যতা।   
৮. দৃষ্টির প্রশস্ততা।
৯. উন্নত আমল।     
১০. পরিশ্রম প্রিয়তা।
১১. কর্ম প্রেরণা সৃষ্টির যোগ্যতা।  
১২. আমানতদারী।
১৩. আল্লাহ ও রাসলের সা. আনুগত্য।    
১৪. কর্মে দৃঢ়তা।
১৫. সুভাষন। 
১৬. পদের প্রতি লোভহীন।
১৭. নম্র ব্যবহার।     
১৮. সময়ানুভর্তিতা।
১৯. নথিপত্র ও হিসাব সংরক্ষণে পারদর্শিতা। 

# যারা নেতৃত্ব দেবেন তারা অধীনস্তদের সাথে যেভাবে সম্পর্ক রাখবেন-
🔽 আনুগত্যহীনতার পরিণাম জাহেলিয়াতের মৃত্যু আর আদেশ ও আনুগত্যের ভারসাম্য সংগঠনের মেরুদন্ড বিধায় নেতাকে আদেশ দানের ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। তাকে সব সময় মনে রাখতে হবে যে, আমার পক্ষ থেকে এমন আদেশ যেন না আসে, যে আদেশের আনুগত্য কর্মী করতে পারবেনা, ফলে সে গুনাহগার হবে।
🔽 নেতা নিজে আনুগত্য করা শিখতে হবে। যদি কোন দায়িত্বশীলের আনুগত্য কর্মী করে না, তাহলে ঐ দায়িত্বশীলকে মনে করতে হবে-উনি নিজেও তার উর্ধ্বতন দায়িত্বশীলের আনুগত্য করেন না।
🔽 দায়িত্বশীলকে যে কোন পরিস্তিতিতে সমালোচনা পরিহার করে মুহাসাবা করার প্রেকটিস করতে হবে। না হলে ঐ দায়িত্বশীলের অধীনস্তরা তার মুহাসাবা করবেনা, বরং সমালোচনা করবে।
🔽 সূরা হুজরাতে ইসলামী আন্দেলনের মূল নেতা নবী মুহাম্মদ সা.-এর বৈশিষ্ট বর্ণনা করা হয়েছে এভাবেÑএটা একমাত্র আল্লাহর অনুগ্রহ যে, আপনি এদের (মুসলমানদের) প্রতি কোমল। যদি আপনি কঠোরভাষী ও তিক্ত মেজাজ সম্পন্ন হতেন, তাহলে এরা আপনার চারপাশ থেকে বিক্ষিপ্ত হয়ে যেতো।কাজেই এদের ত্রুটিকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখুন, এদের শাফায়াত চান এবং বিভিন্ন বিষয়ে এদের সাথে পরামর্শ করুন। অতঃপর পরামর্শের যখন কোন বিষয়ে দৃঢ় সংকল্প হয়ে যায়, তখন আল্লাহর উপর ভরসা করুন। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ (তার উপর) ভরসাকারীদের ভালবাসেন।বিধায়Ñ
১. দায়িত্বশীল অধীনস্তদের সাথে রহমদীল ব্যবহার করবেন।
২. দায়িত্বশীল অধীনস্তদের আদেশ করবেন স্নেহ মাখা সুরে।
৩. দায়িত্বশীল অধীনস্তদের দোষ-ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
৪. দায়িত্বশীল অধীনস্তদের সাথে পরামর্শ করবেন।
৫. দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত হয়ে যাওয়ার পর সিদ্ধান্তকৃত বিষয়ে অটল থাকবেন। ময়দানের যে কোন পরিস্তিতির কারণে বিচলিত হয়ে সিদ্ধান্ত থেকে সবে দাড়াবেন না।
#  যিনি নেতৃত্ব দেবেন তার প্রধান কাজ গুলো হবে-
১.     নিজ ও জনশক্তির মাঝে তাযকিয়া (আত্মশুদ্ধি)।
২.      সহযোগীদের মাঝে উখুয়াত (ভ্রাতৃত্ব সৃষ্টি)।
৩.     কর্মীদের মাঝে ত্যাগের অনুপ্রেরণা সৃষ্টি।
৪.     কর্মীদের মাঝে ইনসাফ কায়েম।
৫.     বিপদ মুসিবাতে ধৈর্য্য অবলম্বনের তালিম।
৬.     সকল তৎপরতার কেন্দ্র বিন্দু নির্ধারণ আল্লাহর সন্তুষ অর্জন

সমাপ্ত

No comments

Theme images by luoman. Powered by Blogger.